মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর চীনে কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমেছে ১ শতাংশ। জ্বালানি তেলের চাহিদা হ্রাস ও বিদ্যুচ্চালিত যানবাহনের (ইভি) ব্যবহার বাড়ায় তা সম্ভব হয়েছে। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) প্রকাশিত জ্বালানি-সংক্রান্ত বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বিশ্লেষণ করে ‘সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার (সিআরইএ)’ এবং ‘কার্বন ব্রিফ’ এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে দেখা যায়, বিশ্বের বৃহত্তম অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিকারক দেশ চীন। দেশটি পরিবেশবান্ধব শক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পেরেছে। একই সঙ্গে বিশ্বের শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারী দেশটি ধীরে ধীরে পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি গড়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, পরিবহন ব্যবস্থার সার্বিক ব্যবহার বাড়া সত্ত্বেও চীন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ৩২ শতাংশ কমাতে সক্ষম হয়েছে। ফলে প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেলের ব্যবহার কমেছে, যা বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা স্থিতিশীল রাখতে ভূমিকা রাখছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে মার্কিন বিমান হামলার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়েছিল।
বিশ্লেষকরা জানান, চীন তাদের স্ট্র্যাটেজিক বা কৌশলগত মজুদ থেকে জ্বালানি তেল ব্যবহার করে চাহিদার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ পূরণ করেছে। বাকি অংশ কমেছে গ্রাহক পর্যায়ে জ্বালানি তেলের চাহিদা কমে যাওয়ায়। ফলে চীনে সামগ্রিক তেল ব্যবহার কমেছে ৯ ও পরিবহন খাতে ১৬ শতাংশ।
এ জাতীয় আরো খবর..